মসজিদের টাকা যুবলীগ নেতার পকেটে! মসজিদের নির্মাণ কাজ বন্
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি: লক্ষ্মীপুরে মাতব্বর হাট জামে মসজিদের ৮ লাখ ৬ হাজার টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে যুবলীগ নেতা ইউসুফ, মাঈন উদ্দিন, সাবেক ইউপি সদস্য বাবুল, দুলালের বিরুদ্ধে ।
এ ঘটনায় মসজিদের টাকা আত্মসাৎকারী ক্যাশিয়ার এবং কেরানী চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ, ইউনিয়ন যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক মাঈন উদ্দিন, জিম্মাদার সাবেক ৯ নং ওর্য়াডের সদস্য বাবুল, ৯ নং ওয়ার্ড আ: লীগের সভাপতি সাবেক ইউপি সদস্য দুলাল, যুবলীগ নেতা কাদিরসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছেন মাতব্বর হাট জামে মসজিদের সাধারণ মুসুল্লি ও সাবেক সভাপতি সফিকুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক আনোয়ার মাঝি গণমাধ্যম কর্মীদের কাছে রবিবার এ অভিযোগ করেন।
লক্ষ্মীপুর সদর উপজেলার চররমনী মোহন ইউনিয়নের মধ্য চররমনী মোহন গ্রামের ৯ নং ওয়ার্ড মাতব্বর হাট জামে মসজিদে এ ঘটনা ঘটে।
অভিযুক্ত ইউসুফ একই এলাকার মৃত খোরশেদের ছেলে সেই মাতব্বর হাট জামে মজিদের সাবেক ক্যাশিয়ার এবং কেরানীর দায়িত্ব পালন কালে ৮ লাখ ৬ হাজার টাকা নিয়ে বিদেশ চলে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ নিয়ে অত্র এলাকায় জনমনে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
অপর দিকে ইউসুপ জানিয়েছেন ৬ লাখ ৬০ হাজার টাকা মাঈন উদ্দিনের কাছে জমা দিয়েছেন। মসজিদ কমিটি তার থেকে কোন টাকা পাবে না।
এদিকে মাঈন উদ্দিন জানিয়েছেন, ইউসুফ থেকে ৫০ হাজার টাকা পাওনা রয়েছেন। সিমেন্টের দোকানদার কিছু টাকা পাবে, হিসাব নিকাশের পর বাকি টাকা আশরাফুল উলুম কওমী মাদ্রাসা একাউন্টে বাকী টাকা জমা দিবেন।
চররমনী মোহন ইউনিয়নের ৯ নং ওয়ার্ড মেম্বার
বাবুল জানিয়েছেন ৬ লাখ ৮৬ হাজার টাকা মধ্যে ৪ লাখ ১৮ হাজার টাকা মসজিদের ভবন নির্মাণের জন্য মালামাল ক্রয় করে দিয়েছেন। ইউসুফ থেকে পাওনা ৯৫ হাজার টাকা তার ভাই সাহাবুউদ্দিন পরিষদ করেন। ইউসুফ কোন টাকা মসজিদ কমিটিকে দেনা নেই। বাকি কিছু টাকা মাইন উদ্দিন এবং সাবেক মেম্বার দুলাল কাছে রয়েছে।
এদিকে একই ওয়ার্ডের সাবেক মেম্বার দুলাল জানিয়েছেন ক্যাশিয়ার ইউসুপ থেকে পাওনা ৬ লাখ ৮৬ হাজার টাকা বাবুল মেম্বার এবং মাঈন উদ্দিন বুঝিয়া নিয়েছেন। তার থেকে মসজিদ কমিটি কোন টাকা পাবে না বলে জানান তিনি।
মাতব্বর হাট জামে মসজিদে সাবেক সভাপতি সফিকুল ইসলাম বলেন, বিগত বছরে ক্যাশিয়ার, এবং কেরানী ইউসুফ কাছে মসজিদের হিসাব চাইলে মাঈন উদ্দিন,কাদির, স্বপনের নেতৃত্বে তারা আমাকে দলীয় প্রভাব দেখিয়ে ২০১৮ সালে মারধোর করেন। পরে গোপনে বিদেশ চলে যাওয়ার সময় এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা মসজিদের টাকা আত্মসাৎকারী ইউসুফকে আটক করেন। এ সময় সাবেক ইউপি সদস্য বাবুলের জিম্মদার হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে ৮ লাখ ৬ হাজার টাকা মধ্যে ৪ লাখ টাকার মালামাল ক্রয় করে দেন মসজিদ নিমার্নের জন্য। আরও চার লাখ ৬ হাজার টাকা এখন পযন্ত দেয়নি বাবুল মেম্বার । ইউসুপ, মাঈন উদ্দিন, স্বপন, দুলাল, কাদের, বাবুল দীর্ঘ ১৫ বছর যাবত মসজিদ এবং পুকুরের আয়ের ৩০ লাখ টাকার লুটপাটের অভিযোগ তোলেন সফিকুল ইসলাম।
একাধিক মসজিদের মুসল্লী, রতন, হুমায়ুন কবির, গিয়াস উদ্দিন, শাহাজাহান হাজ্বী এবং মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক জানিয়েছে, ৮ লাখ ৬ হাজার টাকা নিয়ে গোপনে বিদেশ চলে যাওয়া সময় মসজিদ কমিটি সাবেক ক্যাশিয়ার ইউসুফকে স্থানীরা হাতে নাতে ধরে তার জিম্মাদার হিসেবে হিসেবে দায়িত্ব নিয়ে ৪ লাখ ১৮ হাজার টাকা মসজিদের নির্মান কাজ করান ইউপি সদস্য বাবুল বাকি টাকা মাঈন উদ্দিনের কাছে জমা রাখেন ইউসুপ দীর্ঘ কয়েক মাস হলেও মসজিদের মাঈন উদ্দিন মসজিদের পাওনা টাকা এখনো জমা দেই নাই এতে মসজিদের নির্মান কাজ বন্ধ রয়েছে। টাকা গুলো মাঈন উদ্দিন এবং বাবুল থেকে উদ্ধার হলে মসজিদের নিমার্ন কাজ শুরু করা হবে।